বাংলাদেশ ক্রিকেট

[Cricketbd][bleft]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

[International Cricket][bsummary]

ত্রিদেশীয় সিরিজ

[Triple series][bleft]

বিপিএল টি২০

[BPLT20][bsummary]

ইউটিউবে খেলার ভিডিও দেখুন

ইউটিউবে খেলার ভিডিও দেখুন
ইউটিউবে খেলার ভিডিও দেখুন

টানা ১১ ম্যাচ হারের ম্যার অবশেষে জয়ের দেখা পেলো পাকিস্তান

বিশ্বকাপের নিজেরদের দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে আনপ্রডিকটেবল পাকিস্তান। আসরের টপ ফেবারিট ও স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ১৪ রানে হারিয়ে জয় তুলে নিয়ে দারুণভাবে হুংকার দিল সরফরাজের দল।
নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে এদিন পাকিস্তানের দেয়া ৩৪৯ রানের পাহাড়সম রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে জো রুটের (১০৭) ও জস বাটলারের (১০৩) রানের দুই সেঞ্চুরির পরও হার থেকে রক্ষা পায়নি ইংল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় ইংলিশরা।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে তিন অর্ধশতকের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৪৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটি ভালো সূচনা এনে দেয় পাকিস্তানকে। ১৪.১ ওভারে দুই ওপেনার ফখর জামান ও ইমাম উল হক মিলে তোলেন ৮২ রান। ৫৮ বলে ৪৪ রান করে মইন আলির বলে ক্রিস ওয়াকসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ইমাম আউট হলে দলীয় স্কোর বোর্ডে ২৯ রান যোগ করতেই ব্যক্তিগত ৩৬ রান করে ফেরেন ফখর জামানও।
এরপর দলকে টেনে নেয়ার দায়িত্ব নেন বাবর ও হাফিজ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৮৮ রান। ৬৬ বলে ৪ চার ও এক ছয়ে ৬৩ রান করে ক্যারিয়ারের ১২তম অর্ধশতক করে বাবর আজম ফেরেন মউন আলির তৃতীয় শিকার হয়ে। বাবর আজমের পর হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মোহাম্মদ হাফিজ। ৪১ বলে ৫ চার ও এক ছয়ে ক্যারিয়ারের ৩৭তম অর্ধশতক করেন হাফিজ। ৬২ বলে ৮ চার ও ২ ছয়ে ৮৪ রান করে মার্ক উডের শিকার হন হাফিজ। ৪৪ বলে ৫৫ রান করেন সারফরাজ আহমেদ। আসিফ আলির ১৪, শোয়েব মালিকের ৮, শেষদিকে হাসান আলি ও শাদাব খানের অপরাজিত ১০ রানের ওপর ভর করে ৫০ ওভারে ৩৪৮ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
ইংল্যান্ড বোলারদের মধ্যে মইন আলি ও ক্রিস ওয়াকস ৩টি এবং মার্ক উড ২টি উইকেট শিকার করেন।
৩৪৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১২ রানে ইংল্যান্ড শিবিরে আঘাত হানেন লেগ স্পিনার শাদাব খান। ৮ রান করে শাদাবের এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ফেরেন ওপেনার জেসন রয়। দলীয় ৬২ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৩২ রানে ওয়াহাব রিয়াজের শিকার হয়ে ফেরেন আরেক ওপেনার জনি বায়েস্ট্রো। ৯ রান করে হাফিজের বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন ইয়ন মরগান।
তবে ইংল্যান্ডের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান জো রুটকে সুযোগ করে দেন (১০৭) রানের ইনিংস খেলার। তাকে ফিরিয়ে দিয়ে দলকে বেক থ্রো এনে দেন লেগ স্পিনার শাদাব খান। জো রুটের পর দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি হাঁকালেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জস বাটলার। তবে ১০৩ রান করার পর তাকে মাঠে থাকা পছন্দ করেননি পেসার মোহাম্মদ আমির।
ওয়াহাব রিয়াজের ক্যাচ বানিয়ে তাকে ফেরান আমির। শেষ দিকে মইন আলির ১৯ ওকিস ওয়াকসের ২১ রান জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রানে থেমে যায় ইংলিশদের ইনিংস।
পাকিস্তানী বোলারদের মধ্যে ওয়াহাব রিয়াজ ৩টি, শাদাব খান ও মোহাম্মদ আমির ২টি করে উইকেট শিকার করেন। শোয়েব মালিক ও মোহাম্মদ হাফিজ নেন একটি করে উইকেট।
ব্যাট হাতে ৮৪ এবং বল হাতে এক উইকেট নিয়ে নিয়ে ম্যাচ সেরা হন পাক অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ।

কোন মন্তব্য নেই: