পাকিস্তানকে ৪১ রানে হারাল অস্ট্রেলিয়া
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। পাকিস্তানকে ৪১ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বল হাতে তিনটি উইকেট লাভ করেন প্যাট কামিন্স।

টন্টনে ডেভিড ওয়ার্নারের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া। তাঁদের দেওয়া টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। দলীয় ২ রানের মাথায় ফাখার জামানকে সাজঘরে ফেরান প্যাট কামিন্স। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। দ্বিতীয় উইকেট জুটি যোগ করে ৫৪ রান। ৩০ রান করা বাবরকে ফেরান কল্টার নাইল।
সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন ওপেনার ইমাম-উল-হক ও মোহাম্মদ হাফিজ। দুইজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিং যেন পাকিস্তানকে জয়ের কাজটা সহজ করে দিচ্ছিল। সেই জুটি থেকে আসে ৮০ রান। ফিফটি তুলেই আউট হন ইমাম। কামিন্সের বাউন্স মারতে গিয়ে কিপার ক্যারির হাতে ক্যাচ তুলে দেন ইমাম (৫৩)। তারপর থেকেই ছন্দপতন ঘটে পাকিস্তানের।
১০ রান যোগ করতেই ফিঞ্চের বলে স্লগ সুইপ করে স্টার্কের হাতে ক্যাচ তুলে আউট হন হাফিজ (৪৬)। তার বিদায়ের পর কোন রান না করেই আউট হন মালিক। আসিফ আলীও টিকতে পারেননি ক্রিজে। পাকিস্তানের যখন ১৬০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে তখন জয়ের আশা দেখাচ্ছিলেন হাসান আলী। ক্রিজে নেমেই ঝড়ো ব্যাটিং করেন হাসান।

১৫ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন হাসান। তারপরেই ব্যাট হাতে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ওয়াহাব রিয়াজ ও সরফরাজ আহমেদ। ব্যাট হাতে টন্টনে ঝড় তোলেন ওয়াহাব। এক পর্যায়ে ম্যাচটি পাকিস্তান জিতবে বলে মনে হলেও ম্যাচটি আবারো নিজেদের দখলে নিয়ে আসেন স্টার্ক। ৪৫ রান করা ওয়াহাবকে আউট করার পর আউট করেন আমিরকেও।
শেষ উইকেটে ম্যাক্সওয়েলের দারুণ ফিল্ডিংয়ে অপরপ্রান্তে থাকা সরফরাজকে রান আউট করে ম্যাচটি জিতে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সরফরাজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি হাঁকান ডেভিড ওয়ার্নার। খেলেন ১০৭ রানের ইনিংস। এছাড়াও অধিনায়ক ফিঞ্চের ৮২ রানের কল্যাণে ৩০৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। অজিদের রানটা আরেকটু বেশি হতো যদি না আমির শেষদিকে জ্বলে উঠতেন। বল হাতে একাই পাঁচ উইকেট শিকার করেন এ বাঁহাতি পেসার।

টন্টনে ডেভিড ওয়ার্নারের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া। তাঁদের দেওয়া টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। দলীয় ২ রানের মাথায় ফাখার জামানকে সাজঘরে ফেরান প্যাট কামিন্স। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। দ্বিতীয় উইকেট জুটি যোগ করে ৫৪ রান। ৩০ রান করা বাবরকে ফেরান কল্টার নাইল।
সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন ওপেনার ইমাম-উল-হক ও মোহাম্মদ হাফিজ। দুইজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিং যেন পাকিস্তানকে জয়ের কাজটা সহজ করে দিচ্ছিল। সেই জুটি থেকে আসে ৮০ রান। ফিফটি তুলেই আউট হন ইমাম। কামিন্সের বাউন্স মারতে গিয়ে কিপার ক্যারির হাতে ক্যাচ তুলে দেন ইমাম (৫৩)। তারপর থেকেই ছন্দপতন ঘটে পাকিস্তানের।
১০ রান যোগ করতেই ফিঞ্চের বলে স্লগ সুইপ করে স্টার্কের হাতে ক্যাচ তুলে আউট হন হাফিজ (৪৬)। তার বিদায়ের পর কোন রান না করেই আউট হন মালিক। আসিফ আলীও টিকতে পারেননি ক্রিজে। পাকিস্তানের যখন ১৬০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে তখন জয়ের আশা দেখাচ্ছিলেন হাসান আলী। ক্রিজে নেমেই ঝড়ো ব্যাটিং করেন হাসান।
১৫ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন হাসান। তারপরেই ব্যাট হাতে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ওয়াহাব রিয়াজ ও সরফরাজ আহমেদ। ব্যাট হাতে টন্টনে ঝড় তোলেন ওয়াহাব। এক পর্যায়ে ম্যাচটি পাকিস্তান জিতবে বলে মনে হলেও ম্যাচটি আবারো নিজেদের দখলে নিয়ে আসেন স্টার্ক। ৪৫ রান করা ওয়াহাবকে আউট করার পর আউট করেন আমিরকেও।
শেষ উইকেটে ম্যাক্সওয়েলের দারুণ ফিল্ডিংয়ে অপরপ্রান্তে থাকা সরফরাজকে রান আউট করে ম্যাচটি জিতে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সরফরাজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি হাঁকান ডেভিড ওয়ার্নার। খেলেন ১০৭ রানের ইনিংস। এছাড়াও অধিনায়ক ফিঞ্চের ৮২ রানের কল্যাণে ৩০৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। অজিদের রানটা আরেকটু বেশি হতো যদি না আমির শেষদিকে জ্বলে উঠতেন। বল হাতে একাই পাঁচ উইকেট শিকার করেন এ বাঁহাতি পেসার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন