বাংলাদেশ ক্রিকেট

[Cricketbd][bleft]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

[International Cricket][bsummary]

ত্রিদেশীয় সিরিজ

[Triple series][bleft]

বিপিএল টি২০

[BPLT20][bsummary]

ইউটিউবে খেলার ভিডিও দেখুন

ইউটিউবে খেলার ভিডিও দেখুন
ইউটিউবে খেলার ভিডিও দেখুন

আমাদের ভবিষ্যৎ অতটা খারাপ না – পাপন

 


অবিশ্বাস্য এক জয়। বাংলাদেশ যে এই ম্যাচ জিততে পারে, এটা আসলে ভাবেননি মাঠের বাইরে থাকা কেউই। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও স্বীকার করলেন, জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না।

তবে মেহেদি হাসান মিরাজ আর আফিফ হোসেন ধ্রুব অসাধ্য সাধন করে দিয়েছেন। আজ চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২১৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪৫ রানেই ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে জয়ের বন্দর পর্যন্ত নিয়ে গেছেন এই যুগল, গড়েন ১৭৪ রানের রেকর্ডগড়া এক জুটি।

জহুর আহমেদ চৌধুরীর প্রেসিডেন্টস বক্সে বসে এমন এক জয়ের সাক্ষী হয়েছেন বিসিবি সভাপতি। ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত পাপন বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না। 

সবাই আমরা বলছিলাম ৫০ ওভার খেলতে পারলে আমরা জিতবো। আমি বারবার বলছিলাম, এই দুজন যদি খেলে যেতে পারে তাহলে আমরা জেতার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু এটাও অলমোস্ট অসম্ভব মনে হচ্ছিল।’

মূলত আফগান বোলারদের ভয়ংকর শুরু, আশা ভরসা প্রায় শেষ করে দিয়েছিল, স্বীকার করলেন বিসিবি প্রধান। পাপন বলেন, ‘যেভাবে আমাদের প্রথম ৬ উইকেট গেলো। মনে হচ্ছিল যে এদের বল খেলা যাচ্ছে না, আনপ্লেঅ্যাবল। কিন্তু এরা এসে যে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলে গেলো, কোনো রিস্ক না নিয়ে জাস্ট উইথ ফুল কনফিডেন্টন্স, ওদের কখনোই মনে হয়নি ওরা নার্ভাস। অসাধারণ একটা ম্যাচ খেলেছে দুইজন, আফিফ-মেহেদি।’

আফিফ আর মিরাজ-দুজনের কারোরই একাদশে জায়গা নিশ্চিত ছিল না, জানালেন পাপন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা খেলেছেন। হাঁফ ছেড়ে বাঁচা পাপন এখন ভাবছেন, এরা না খেললে কী যে হতো!

বিসিবি সভাপতির ভাষায়, ‘আমি এটা এখন নামার সময় বলছিলাম। পরশু দিনও কিন্তু এরা খেলবে যে, এই জিনিসটা নিশ্চিত ছিল না। স্কোয়াডে এরা খেলবে কী না, এটা কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। এখানে অন্য নামও ছিল। কিন্তু অপশন তো আমাদের আছে। চিন্তা করছি যদি এরা না খেলতো, কী হতো।’

কোন মন্তব্য নেই: