ওমরজাইয়ের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে সিলেটের টানা দ্বিতীয় জয়
গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতেই সিলেট টাইটান্সের সাথে যোগ দিয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন আফগানিস্তানের তারকা এ ক্রিকেটার। শুধু কি তাই, বোলিংয়েও দেখালেন দারুণ নৈপুণ্য। তাতেই ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে সিলেট।
আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তোলে সিলেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬৭ রানে থামে ঢাকা। স্বাগতিকরা পায় ৬ রানের জয়।
এদিন টস জিতে সিলেটকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। দলীয় ২২ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে কিছুটা বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। এরপর দলের হাল ধরেন সাইম আইয়ুব ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৪ রান। ৩৪ বলে ২৯ রান করা আইয়ুবকে ফিরিয়ে ঢাকাকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
ইমন ফিরেছেন ফিফটি মিসের হতাশা নিয়ে। ৩২ বলে ২টি করে বাউন্ডারি ও ছক্কায় ৪৪ রান করেন তিনি। তবে সিলেটকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন ওমরজাই। ২৪ বলে তুলে নেন ফিফটি। যা চলতি আসরে এখন পর্যন্ত দ্রুততম ফিফটি। ইথান ব্রুকস খেলেছেন ৬ বলে অপরাজিত ১৩ রানের ক্যামিও। শেষ ৫ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৭৪ রান যোগ করেন তারা।
ঢাকার হয়ে ৪ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেছেন সালমান মির্জা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৩ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ঢাকা। আজও বড় রান করতে পারেননি ওপেনার সাইফ হাসান। ১৭ বলে করেছেন মাত্র ৯ রান। আরেক ওপেনার জুবাইদ আকবরীর ব্যাট থেকে এসেছে ৫ বলে ১ রান। উসমান খান শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৫ বলে করেছেন ২১ রান।
মোহাম্মদ মিঠুন ও নাসির হোসেন উইকেট বিলিয় দিয়ে এসেছেন। তবে একাই লড়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। শুরুতে তাকে সঙ্গ দিয়েছিলেন সাব্বির রহমান। ১৯ বলে ২৩ রান করে তিনি ফিরলে একা হয়ে যান শামীম। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছিলেন শামীম। কিন্তু তার ৪৩ বলে খেলা ৮১ রানের ইনিংসটি শুধু হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে।
সিলেটের হয়ে ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নিয়েছেন ওমরজাই। ২টি করে উইকেট শিকার করেছেন মোহাম্মদ আমির ও নাসুম আহমেদ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন